ভূত চতুর্দশী (Naraka Chaturdashi) — ইতিহাস, তাৎপর্য ও পালনের নিয়ম | পূজা ও সংস্কৃতি
Naraka Chaturdashi, Bhut Chaturdashi, ভূত চতুর্দশী, নারক চতুর্দশী, Kali Puja, দীপাবলি, Hindu Festival, ধর্মীয় উৎসব, আলোর উৎসব, শ্রীকৃষ্ণ, Narakasura
Polok
ভূত চতুর্দশী (Naraka Chaturdashi) — ইতিহাস, তাৎপর্য ও পালনের নিয়ম | পূজা ও সংস্কৃতি
ভূত চতুর্দশী / নরক চতুর্দশী — আলোর আগে অন্ধকারের দিন একটি পূর্ণাঙ্গ ব্লগ: পৌরাণিক কাহিনি, বাংলা রীতিনীতি, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য। ভূমিকা দীপাবলির উৎসব বলতে আমরা সাধারণত আনন্দ, আলোক আর নতুন শুরুর কথা ভাবি। কিন্তু এই দীপাবলির আগের দিন, অর্থাৎ ভূত চতুর্দশী বা নরক চতুর্দশী , সেই আলো আসার আগে অন্ধকারের প্রতীকী স্মরণ। এটি একদিকে যেমন ধর্মীয় ও পৌরাণিক তাৎপর্যে ভরপুর, তেমনি অন্যদিকে সামাজিক, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনে মানুষ একদিকে পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে, অন্যদিকে জীবনের অশুভ শক্তির ওপর জয়লাভের প্রতীক হিসেবে প্রদীপ প্রজ্বলন করে। নরক চতুর্দশী কী? নরক চতুর্দশী হিন্দু ধর্মীয় পঞ্জিকার মতে কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পালিত হয়। এটি দীপাবলির দ্বিতীয় দিন , এবং অনেক স্থানে একে ছোট দীপাবলি নামেও ডাকা হয়। দক্ষিণ ভারতে এটি "নরক চতুর্দশী", পশ্চিম ভারতে "চোটি দিওয়ালি", আর পূর্ব ভারতে বিশেষ করে বাংলায় "ভূত চতুর্দশী" নামে পরিচিত। পৌরাণিক কাহিনি: নরকাসুর বধ এই তিথির পেছনে রয়েছে এক শক্তিশালী পৌরাণিক কাহিনি — নরকা…